হামাস যোদ্ধাদের মুক্তির বিনিময়ে সৌদির সঙ্গে বন্দিবিনিময় চুক্তি করতে চায় #হুথি
লিঙ্ক পান
Facebook
X
Pinterest
ইমেল
অন্যান্য অ্যাপ
-
সাদ,ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:ইয়েমেনের জনপ্রিয় হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলন সৌদি আরবে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিনিময়ে ইয়েমেনিদের হাতে বন্দী সৌদি সেনা ও ভাড়াটে যোদ্ধাদের মুক্তির যে প্রস্তাব দিয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।
সংগঠনটি বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, হুথি আন্দোলনের প্রধান আবদুল মালেক আল-হুথি সম্প্রতি সৌদি আরবে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তির বিষয়ে যে প্রস্তাব দিয়েছেন হামাস তা লক্ষ্য করেছে এবং এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানাচ্ছে। হুথি আন্দোলনের প্রধানের এই প্রস্তাবে হামাস ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, আব্দুল মালেক আল হুথির এই প্রস্তাব ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ইয়েমেনের ভ্রাতৃত্ব ও মমত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ।
সম্প্রতি, ইয়েমেনের রাজধানী সানায় টেলিভিশনের মাধ্যমে দেয়া এক বক্তৃতায় হুথি আন্দোলনের প্রধান আব্দুল মালেক আল-হুথি ঘোষণা করেন যে, সৌদি আরবের কারাগারে যে সমস্ত ফিলিস্তিনি বন্দী বিশেষ করে হামাসের নেতাকর্মীরা আটক রয়েছেন তাদের মুক্তির জন্য আনসারুল্লাহ আন্দোলনের হাতে আটক সৌদি বন্দীদের মুক্তি দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
হামাস আবারো সৌদি কারাগারে বন্দি তাদের নেতাকর্মীদের মুক্তি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে সৌদি আরব হামাসের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু করে। এরমধ্যে হামাসের প্রবীণ নেতা ড. মুহাম্মাদ আল-খুদাইর রয়েছেন যিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা, ময়মনসিংহে গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক ও ছাত্র ইউনিয়নের বহিষ্কৃত সম্পাদক অ্যাডভোকেট অমিত চন্দ্র সাহা ওরফে অমিত হাসান দীপুর বিরুদ্ধে তার এক নারী সহকর্মীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
দরিদ্র দেশ ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সামরিক আগ্রাসন পাঁচ বছর পূর্ণ হতে চলেছে। আমেরিকার সমর্থনপুষ্ট বর্বরোচিত রক্তক্ষয়ী আগ্রাসনের প্রতি আবারো কঠোর নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। একইসঙ্গে তেহরান বলেছে, ইয়েমেনি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধযজ্ঞের সহযোগী হওয়ার জন্য ওয়াশিংটনকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। গতকাল (মঙ্গলবার) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের আগ্রাসন পাঁচ বছর শেষ হয়ে ষষ্ট বছরে গড়িয়েছে।কিন্তু এই সময়ের মধ্যে নিরাপরাধ এবং নির্যাতিত ইয়েমেনি জগণের রক্তপাত এবং দেশটির অবকাঠামতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ছাড়া কোনো সফলতা নেই। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, এ অন্যায় যুদ্ধের মাধ্যমে পুরো ইয়েমেনকে তছনছ করে দেয়া হয়েছে। দেশটিকে পুরোপুরি নির্জনতায় পরিণত করা হয়েছে এবং সেখানে শতাব্দির সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয়ের দৃশ্যে পরিণত করেছে। সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট আমেরিকার সমর্থন নিয়ে ২০১৫ সালের ২৬ মার্চ ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট আব্দুল হাদিকে ফের ক্ষমতায় বসানোই যুদ্ধের প্রধান উদ্দেশ্য যদ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন